রবিবার, ২ ফেব্রুয়ারি, ২০১৪

Symphony W15 এ কাস্টম জেলী বিন রম ইন্সটল করুন, সাথে CWM রিকভারী ফ্রি

আজ আমি আপনাদের জন্য Symphony W15 এর কাষ্টম জেলী বিন রম নিয়ে এসেছি... :lol:
এজন্য অবশ্যই আপনার ফোন টি রুটেড হতে হবে। রুট কিভাবে করতে হবে তা নিয়ে টেকটিউনস এ অনেক পোষ্ট আছে, তারপরও অনেকে আমাদের দেশীয় ব্র্যান্ড গুলো রুট করতে গিয়ে বিপাকে পড়েছেন। তাদের জন্য বলছি আপনার রুট করার জন্য Unlockroot ব্যবহার করতে পারেন।
এই সফটটি আপনারা এখান থেকে ডাউনলোড করে নিতে পারেন। আর এন্ড্রয়েড এর জন্য পিসিতে ADB Driver থাকতে হবে, তা এখান থেকে ডাউনলোড করে নিন।
ড্রাইভার ইন্সটলের জন্য ফোনের ইউ এস বি ডিবাগিং চালু করে পিসির সাথে কানেক্ট করুন, এরপর Adbdriver Installer ওপেন করে ইন্সটল দিন, হয়ে গেল ড্রাইভার ইন্সটল, তারপর Unlock root চালু করে Root এ ক্লিক করুন, কিছু সময় পরে ফোন রিস্টার্ট চাইবে, দিয়ে দিন। রিস্টার্ট হওয়ার পরই আপনার ফোন রুটেড......... :mrgreen:
এবার রিকভারী ইন্সটল দেয়ার পালা, এই লিঙ্ক থেকে আপনার Symphony W15 এর জন্য CWM রিকভারী নিয়ে নিন, মাত্র ৭ মেঃবাঃ।
এটা ইন্সটল এর জন্য Mobile Uncle Tool প্রয়োজন হবে। এখান থেকে অথবা গুগল প্লে থেকে ডাউনলোড করে নিন।
রিকভারী টি আপনার মেমোরির রুট ফোল্ডারে রাখুন, এবার Mobile Uncle Tool ওপেন করে Recovery Update সিলেক্ট করুন। এতে আপনার মেমোরিতে থাকা ফাইলটি দেখাবে। ওটা সিলেক্ট করে ওকে দিন। এরপর Reebot Into Recovery দিন।নিচে স্ক্রীন শর্ট দেখুন......






পেয়ে গেছেন আপনার ফোনের জন্য CWM রিকভারী। আপনার স্টক রম ব্যাক আপ রাখতে ভুলবেন না। :lol:
এখন মুল কাজ......
আপনার ফোনের জন্য কাস্টম জেলী বিন রম ডাউনলোড করুন। ওহ, লিঙ্ক দেই নাই, ঠিক আছে এখান থেকে ডাউনলোড করে নিন, মাত্র ১০৭ এম বি।
এবার আপনার ডাউনলোড করা ফাইল টি মেমোরির রুট ফোল্ডারে রেখে Mobile Uncle Tool এর সাহায্যে Recovery mood এ যান (আমার জানা মতে Symphony w15 এ সরাসরি রিকভারীতে প্রবেশ করা যায় না, কেউ জানলে আওয়াজ দিয়েন :lol: )।
এবার Install Zip From SD Card সিলেক্ট করুন। আপনার জিপ ফাইলটি দেখিয়ে দিয়ে কনফার্ম করুন। ২ মিনিট অপেক্ষা করুন, হ্যা আপনি পেরেছেন আপনার Symphony W15 কে জেলী বিনে রুপান্তরিত করতে। আপনার ফোনের কিছু স্ক্রীন শর্ট দেখি তো.........





রম ইন্সটল প্রক্রিয়ার স্ক্রীন শর্ট দিতে পারলাম না বলে দুঃখিত, কিন্তু আমি জানি আপনারা সবাই পারবেন। :D :D :D
পোষ্ট কেমন লাগল মন্তব্য করে জানাবেন। কারো যদি কাজে আসে তবেই এই পোষ্ট সার্থক। আর পুর্বে কেউ এটা নিয়ে টিউন করে থাকলে দুঃখিত, আমি সার্চ দিয়ে পাইনি। ভালো থাকবেন সবাই, আর কারো প্রয়োজন হলে আমার এফ বি আইডি এখানে। ধন্যবাদ...।

বুধবার, ২৯ জানুয়ারি, ২০১৪

সহজেই Root এবং Unroot আপনার প্রিয় এন্ড্রয়েড ডিভাইসটি...

আশা করি সবাই খুব ভালো আছেন।এখন মাত্র একটি সফটওয়্যার দিয়েই কোন কম্পিউটার ছাড়াই আপনার ফোন কে Root এবং Unroot করুন খুব সহজেই।
Expert রা দয়া করে ধৈর্য নিয়ে পড়ুন, শেষে চমক আছে।
টিউন টি মূলত নতুন ইউজারদের জন্য যারা এখনও Root / Unroot করতে পারেন না। আজ আপনাদেরকে একটি সফটওয়্যার এর সাথে পরিচয় করিয়ে দিব। যার নাম “Framaroot” । অনেকেই হয়তো এটার সাথে পূর্বপরিচিত । Framaroot বর্তমানে 2.0 থেকে 4.2 Android ভার্সন ফোন সমর্থন করে । এ ছাড়া আমরা জানি যে ফোন একবার রুট করলে ফোন এর ওয়ারেন্টি নষ্ট হয়ে যায়, অর্থাৎ ফোন কোম্পানি এর ওয়ারেন্টি দিবে না । কিন্তু Framaroot দিয়ে রুট করলে পরবর্তীতে রুট করা ফোন আনরুট করা যায়, যেটা পরবর্তীতে আপনার ফোনের ওয়ারেন্টি পাওয়ার পথে কোন সমস্যা করে না । তবুও বলে রাখি, যা করবেন নিজ দায়িত্বে করবেন ।
কম্পিউটার ছাড়া ফোন রুট করতে নিচের ধাপ গুলো অনুসরণ করুন ঃ
ধাপ 1: প্রথমে আপনার ফোন বা কম্পিউটারে “Framaroot” অ্যাপ্লিকেশন ডাউনলোড করুন ।
ডাউনলোড করতে  এখানে   ক্লিক করুন ।
ধাপ 2: যদি কম্পিউটার এ ডাউনলোড করে থাকেন তাহলে Framaroot কম্পিউটার থেকে আপনার ফোন মেমরিতে কপি করে নিন ।
ধাপ 3 : Framaroot.apk ফাইলটি আপনার ফোন এ Install করুন ।
ধাপ 4 : অ্যাপ্লিকেশানটি open করে নিচের মত “Install Superuser” option select করুন । তারপর নিচের মত যে কোন একটা exploits (Boromir / Faramir ) select করুন।

আমাদের দেশ এর বেশিরভাগ সেট symphony, Walton, Maximus and other Chaina handset তাই আপনারা Boromir select করবেন ।
ধাপ 5 : আপনি সফল হলে নিচের মত একটা মেসেজ দেখাবে ।

ধাপ 6: এরপর আপনার ফোন কে  Reboot অথবা Restart করতে হবে ।  Reboot করার পর আপনার ফোন মেনু তে "SuperSu" নামে একটি নতুন App যোগ হবে।
ধাপ 7 : সফল না হলে অন্য expoilt ( Faramir ) select করে  আবার একই পথ অনুসরণ করুন ।
রুট সফল হওয়ার পর নিশ্চিত হওয়ার জন্য “Root Cheker” app টা ইন্সটল করুন ।
নিচের মত দেখালে বুঝবেন আপনি সফল হয়েছেন ।

“Root Checker” app টা ডাউনলোড করতে   এখানে ক্লিক করুন ।
এবার আসুন আনরুট করার পদ্ধতি তে। পদ্ধতিটা খুবই সহজ। Framaroot app টা ওপেন করে “Install Superuser” এ ক্লিক করলে “Unroot” অপশন সিলেক্ট করুন । তাহলেই হয়ে যাবে আপনার বহু প্রতীক্ষিত Unroot । :lol:
পরবর্তী পোষ্ট এ লিখব কিভাবে আপনার মোবাইলের RAM বাড়ানো যায়। RAM বাড়াতে  হলে আগে জানতে হবে কিভাবে ফোন Root / Unroot করতে হয়। এই কারনেই এই পোষ্ট টি লেখা ।
বি:  দ্র  ঃ  এই পোষ্ট টি  আপনার কোন কাজে লাগলে আপনার অভিজ্ঞতা সম্পর্কে বলুন নিচের মন্তব্য বিভাগে। আর আমি তো ফেসবুক এ অথবা ফেসবুক ২ এআছিই ।

যাদের Android ফোনের RAM কম তাদের জন্য, বাড়িয়ে নিন আপনার Android ফোনের RAM.

আশা করি সবাই খুব ভালো আছেন। কি অবাক হলেন??? অবাক হওয়ার কিছুই নেই । Virtual জগতে সবই সম্ভব।  আপনি খুব সহজেই আপনার এন্ড্রয়েড এর RAM বাড়াতে পারবেন শুধু মাত্র দুইটি সফটওয়্যার দিয়েই ।
প্রথমে জেনে নিন আপনার ফোন এর RAM কেন বাড়াবেন? RAM যত বেশি হয় ফোন তত দ্রুত গতিতে কাজ করতে পারে। RAM বেশি থাকলে খেলতে পারবেন দারুণ সব বড় বড় HD গেমস । কথা না বাড়িয়ে কাজে চলে আসি। RAM বাড়াতে আপনার যা যা লাগবে :
প্রথমত, 1 টা Class 8 / 10 Micro SD Card (নুন্যতম 8MBPS স্পীড থাকতে হবে) ,
দ্বিতীয়ত, 2 টা Apps (Busy Box Pro apps এবং Ram Expender).
RAM বাড়াতে হলে আপনার ফোনটি অবশ্যই Root করে নিতে হবে। ফোন কিভাবে রুট করতে হয় তা জানতে আমার পূর্বের টিউনটি দেখুন।
টিউনটি দেখতে  এখানে ক্লিক করুন ।
তবে চলুন এবার দেখি কিভাবে কাজ করবেন।
ধাপ 1 . ১ম এ “Busy Box Pro” app টা ডাউনলোড করে আপনার সেটে ইন্সটল করুন ।
“Busy Box Pro” ডাউনলোড করতে  এখানে ক্লিক করুন ।
তারপর app  টি ওপেন করুন । ওপেন হবার পর নিচের মত দেখতে পাবেন ।

ধাপ 2.  Install লেখা অপশন এ টাচ করে ক্লিক করুন । Install Type এ Normal Install ক্লিক করুন । Super User permission চাইলে Grant /Accept করুন । Installকরা শেষ হলে বের হয়ে যান।
ধাপ  3. এখন আপনাকে “Ram Expander” app টা নিয়ে কাজ করতে হবে।
"Ram Expander" ডাউনলোড করতে   এখানে ক্লিক করুন ।
ডাউনলোড করার পর ইন্সটল করে ওপেন করুন । Super User permission চাইলে Grant / Accept করুন ।
ধাপ  4.  এখন  “Swap File” লেখা অপশনে ক্লিক করুন । Swap File তৈরির আগে app টির Settings এর “ SD CARD Director” তে গিয়ে Swap File কোথায় তৈরি হবে তা নির্ধারন করে দিতে পারেন, না করলে app নিজেই Directory তৈরি করে নিবে সয়ংক্রিয় ভাবে।
ধাপ  5.  Swap File এ ক্লিক করলে একটা বক্স আসবে এখানে কত mb RAM বাড়াতে চান তা লিখুন। আপনার সেটে যা RAM দেয়া আছে তার সমান হলে ভাল হয়, খুব বেশি হলে দ্বিগুন করতে পারেন কিন্তু তার বেশি করবেন না । যদি আপনার সেটের RAM 512mb হয় তাহলে আপনি 512 mb / 1GB RAM বাড়াতে পারবেন ।

আপনার মেমোরি কার্ড যদি 4 জিবি হয় তবে সর্বচ্চ 512 আর 8 জিবি হলে সর্বচ্চ 850 সোয়াপ সাইজ সিলেক্ট করে সোয়াপ একটিভ এনাবেল করে দিন ।
ধাপ  6.  "Swappiness" লেখার উপর ক্লিক করলে যে বক্স আসবে সেখানে 50 লিখুন । আপনি 0 থেকে 100 যেকোন মান ব্যবহার করতে পারেন। 0 দিলে মেমরি কার্ড RAM হিসাবে ব্যবহার হবে না । মান যত বাড়াবেন RAM তত বেশি বাড়বে। আমি 50 বা ডিফল্ট দিয়ে ব্যবহার করছি।

ধাপ  7. MinFreeKB লেখায় ক্লিক করে যে বক্স আসবে সেখানে 1-20 যা ইচ্ছা দিন, 20 এর বেশি দিলে সেট মাঝে মাঝে স্লো হয়ে যেতে পারে। এটি কখনও আসতে পারে, আবার নাও পারে ।
ধাপ  8. এবার এপসটির উপরে "Swap active" লেখায় টিক দিলে Swap File Create করা শুরু হবে । এই সময়ে অন্য কোন কাজ করবেন না । এ সোয়াপ ফাইল তৈরি হলে আপনার RAM বৃদ্ধি পাবে এবং অতিরিক্ত RAM হিসেবে আপনার এন্ড্রয়েড ঐ সোয়াপ ফাইলকে ব্যবহার করবে।

ধাপ  9. কাজ শেষ হলে SD Card এর স্পিড দেখাবে । এবার app টি Close করে বের হয়ে যান । এখন "Notify Icon" ও "Autorun" অপশন 2 টায় টিক দিয়ে দিন । এইতো আপনার সব কাজ শেষ ।

App টির নিচের দিকে গ্রাফ আকারে RAM এর Status দেখাবে । আপনার সেটের অরিজিনাল RAM কত আর কতটুকু খালি আছে, Swap RAM কত আর কতটুকু খালি আছে আলাদা আলাদা ভাবে দেখতে পাবেন এখানে । সবশেষে দেখতে পাবেন মোট RAM কত আর কতটুকুই বা খালি আছে।
সতর্কতা  :
1. Class 8 / 10 Memory Card ছাড়া RAM বাড়ানো যাবে না, আপনি যদি বাড়ানও তাতে কোন উপকার হবে না।
2. সোয়াপ রান করা অবস্থায় কোন ভাবে মেমরি কার্ড রিমুভ করবেন না।
3. মেমরি কার্ড এ যে সোয়াপ ফাইল তৈরি হবে তা অবশ্যই ডিলিট করবেন না।
4. সেট ডাটা কেবল দিয়ে পিসিতে কানেক্ট করলে Swap RAM বন্ধ হয়ে যাবে, তাই প্রতিবার পিসি থেকে সেট ডিসকানেকট করার পর app টিতে ঢুকে Swap active লেখায় টিক দিয়ে Swap RAM চালু করে নিতে হবে ।

5. এটি খুব সহজ এবং নিরাপদ প্রক্রিয়া। তারপরও আপনার এন্ড্রয়েড এর কোন সমস্যা হলে তার দায়িত্ব শুধুই আপনার ।
আমার পরবর্তী টিউনে আমি আপনাদের দেখাবো কিভাবে Android ফোন এ ROM ব্যাকআপ এবং Restore করতে হয়। ততদিন
পর্যন্ত ভালো থাকবেন ।
বি:দ্র  ঃ
এই পোষ্ট টি  আপনার কোন কাজে লাগলে আপনার অভিজ্ঞতা সম্পর্কে বলুন নিচের মন্তব্য বিভাগে। আর আমি তো ফেসবুক এ অথবা ফেসবুক ২ এ আছিই ।

সোমবার, ২০ জানুয়ারি, ২০১৪

ফেবূ,টুইটার,গুগোল প্লাস এ লাইক বাড়ান অথবা নিয়ে নিন কিছু ইউরো শুধু লাইক দিয়ে......

আপনি কি আমার মতই ফেসবুক/টুইটার/গুগল প্লাস ভালবাসেন?পছন্দ করেন বেশি বেশি লাইক পেতে?তাহলে দেরি না করে এখনি এই সাইটে সাইন আপ করেনিন।আর লাইক করে পয়েন্ট জমান।তারপর খালি আপনার পেইজের লিংক দিয়ে দেখেন।ঝড়ের গতিতে পেজ এ লাইক পরতে থাকবে।তবে মনে রাখবেন, যতবেশি পয়েন্ট অর্জন করবেন,আপনিও ততবেশি লাইক পাবেন। আপনি চাইলে পয়েন্ট বিক্রি করে টাকা ইনকাম করতেও পারবেন। এজন্য আপনার পেজা একাউন্ট থাকতে হবে। তাহলে দেরি না করে এখনি রেজিস্ট্রেশন করুন আর পয়েন্ট নেয়া শুরু করে দিন।মনে রাখবেন যত বেশি পয়েন্ট তত বেশি লাইক অথবা ইউরো। নিচের ডায়াগ্রামে সহজে বুঝানো হল। আপনি যোগ দিতে চাইলে এখান থেকে অথবা নিচে দেওয়া লিঙ্ক থেকে সাইন আপ করতে পারেন।

  রেজিস্ট্রেশন করতে এখানে ক্লিক করুন।

বৃহস্পতিবার, ৫ ডিসেম্বর, ২০১৩

ফটো ভেরিফাই ছাড়া আপনার FACEBOOK আইডি উদ্ধার করুন !

আসসালামু আলাইকুম
আজ আমি আবার দেখাব কিভাবে আপনি আপনার Facebook ফোট verification চাইলে ফোট ভেরিফাই না করেই রিকভার করবেন। কি অবাক হলেন ? অবাক হবার কিছু নাই। কাজ হবেই !

তাইলে শুরু করা যাক ।

প্রথমে আপনি আপনার একাউন্ট থেকে লোগাউট হোন তারপর এই লিঙ্কে প্রবেশ করেন ।
http://www.facebook.com/help/contact/319547548123767?rdrhcwww.facebook.com/help/contact/319547548123767?rdrhc
এখন আপনি একটা পেইজ পাবেন এমন ঃ


এইখানে আপনি কাঙ্ক্ষিত তত্ত দিন, আপনার আই ডি কার্ড বা পাসপোর্ট এর স্ক্যান কপি দিন। তারপর ২৪ ঘন্টা থেকে ২ দিন ওইয়েইট করেন। আপনাকে Confirmation Mail পাঠানো হলে আপনার আইডির লক খুলে যাবে। ব্যাস কাজ শেষ ।
ও হ্যা, একটা/একজনের আই ডি কার্ড দিয়ে শুধুমাত্র একটা একাউন্ট ভেরিফাই করা যাবে।
ফেসবুকে আমি এবং আমার ২য় আই ডি

!100% গেরান্টি সহকারে FACEBOOK Photo Verification থেকে এখন উদ্ধার করুন আপনার আকাউন্ট! মেগা টিউন !

আজ আমি আপনাদেরকে দেখাবো কিভাবে facebook আকাউন্ট photo verification চাইলে তা উদ্ধার করতে হয় । এর আগে বলে নেই facebook কিভাবে আপনাকে এই পিকগুলা দেয়। ধরেন আপনি একজনের ফ্রেন্ড, সে যদি আপনাকে পিক টেগ করে অথবা অরে যদি কেউ ট্যাগ করে তাইলে উভয় অবস্তায় আপনাকে অই পিকগুলা দিবে যা ট্যাগ করা হইছে।

দাঁড়ান দাঁড়ান !

আগে বলে নেই ট্যাগ জিনিসটা কি ?

ধরেন আপনি আপনার ফ্রেন্ড সহ কথাও বেড়াতে গিয়ে ফোট তুললেন। আর বাসায় এসেই ফেইসবুকে আপ্লোড করেলেন।  এখন আপনাকে তো আপনার ফ্রেন্ডরা চিনেই বাট অই মিয়ারে কে চিনব। কেউ তো চিনেনা !
তাই না ?
এখন আপনি আপনার অই ফ্রেন্ডকে অন্যদের মাঝে পরিচিত করে দিতে আপনি তার মুখের উপর মাউস রাখলে নাম লেখার অপশন আসবে। তখন তার নাম দিয়ে দিলে যে কেউ আপনার ফ্রেন্ডকে চিনার জন্য কোন প্রব্লেম হবে ন। এইটাই আসলে ট্যাগিং । বাট আমাদের দেশের পোলাপাইন না বুঝে, না জেনে এর use করে। এখন থেকে আপনিও সতর্ক থাকবেন টেগিং এর ক্ষেত্রে। আমি আমার আইডি রিকভার করতে গিয়ে দেখলাম ছাগল,গরু,ঘাস ETC ট্যাগ করা। খুব হাসির বিষয় না!

এখন বলি বাঁচার উপায়।

timeline review on করে রাখবেন ।যারা যারা আপনাকে পিক ট্যাগ করবে এদের ব্লক মারবেন । ব্যাস । এটা আমার সিস্টেম। এতে হেতেরে যে যে ট্যাগ করেছে হেও মরবে আমিও বাঁচব।

এবার আসেন  দেখাই কি করে photo verification হলে কিভাবে উদ্ধার করবেন ।

আসলে এটা খুব easy একটা বিষয়। বাট অনেকেই জানেন না । দেখেন আমি আসলে এই ভাবে অনেক রুজি করছি। বাট এখন চাইতেছি যে আপনাদেরকেও ফ্রী বিষয়টা জানাই।
ফেইসবুক আপনাকে ৩ ভাবে ফোট ভেরিফাই করতে পারে।
১.একটা একটা পিকচার দিয়ে (সাধারনত মবাইল ইউযারদের ক্ষেত্রে)
২. ৩টা পিকচার দিয়ে
৩.পিকচার দিবে বাট নাম দিবে না
আমি দেখাব ২ নং টা । অন্যগুলা আরেক দিন না হয় বলব। অথবা আমার সাথে যোগাযোগ কইরেন।
যা যা লাগবে
১. স্ক্রিনসট নেয়ার একটা সফট। আমি picpick use করেছি।
২. পিসি ।
৩. ধৈর্য । (৫/৪ দিন ট্রাই করতে হবে। )
কাজের ধারা
প্রথমে আপনি কয়েক বার প্রতিটা পিক এর screnshot নিবেন।


এভাবে যতবার আসবে ততোবার পিকের screenshot নিবেন।সর্বচ্চ এক বারে ৫ টা থেকে ৭ টা পিক নিতে পারবেন।  নিচের অই নামগুলা সহ স্ক্রিনসোট নিবেন। আপনি একবার ভেরিফাই করার পর সবগুলা পিক ভুল হবে। এভাবে প্রতি ঘন্টায় আপনি একবার করে ভেরিফাই করতে পারেন। এগুলা ভুল হবে, ভুল হোক নো প্রব্লেম । এখন ধরেন আপনার ২০/৩০ বা ৪০/৫০ টা পিক জমা হল কিন্তু একটাও চিনেন না । এখন আপনি দেখতে থাকেন। মানে অই পিকগুলা আপনি দেখেন,এনালাইয করেন, খুঁজেন যে কথাও আপনি একি পিক দুইবার দেখেন কিনা? দাড়ান আমি পিক দেখাই।নিচের পিকটায় আপনি আমার ভেরিফাই করা আইডি গুলার ফল্ডার দেখতে পাচ্ছেন। এখানে আপনি আমার ভেরিফাই করা ১৮ টা আইডি এর ফল্ডার দেখতে পাচ্ছেন।

দেখেন আমি For kawser এর ফোল্ডারটায় ডুকতেছি।

লাল রেখার ভেতরের ফোল্ডারগুলা হল অই পিক গুলা যেগুলা আমি identify করেছি যে এটাই আসলে অই নির্দিস্ট  ব্যক্তির পিক আমি নামও লিখে রেখেছি। একটা সময় দেখবেন যে একি পিক বার বার ঘুরিয়ে ফিরিয়ে আসতেছে।দাঁড়ান বিষয়টা খুলে বলি।
দারান ! আমি যে কোন একটা ফোল্ডার খুলি। (আপনারা শুধু দাঁড়ায়ে থাকেন ! হা হা হা হা :P )
আমি jahid ahmed এই ফোল্ডারটা খুললাম ।একি ফোল্ডারের ভিতরের অন্য পিকটাও খেয়াল করেন ।

কি বুঝলেন । বলেন তো !
হা , একটা সময় আপনি দেখবেন এভাবে একি পিক ভিন্ন আরো দুটি পিকের সাথে দেখাবে। এখন বুঝবেন কি ভাবে যে এই পিকটা আসলে এই নামের লোকটার । আপনার ভাজ্ঞ ভাল থাকলে ৫ টার ৫ টা আপনি আন্দাজে ঢিল মারলে হয়েও যেতে পারে বাট এটা অনেক রেয়ার।
দাঁড়ান দেখাই ।
একটু photo editing করতেছি । না না দাড়ায়েন না ।বসে বসেই দেখেন ।

এখানে আমি photo edit করে দুই পিককে এক সাথে করলাম। আর লক্ষ করেন , দেখবেন, এখানে একটা নাম কমন। মানে দুই জাগায়ই একি নাম আছে। অর্থাৎ এইটাই অই ব্যক্তির নাম। এখন বুঝতে হবে যে এই ৬ টা পিক এর নামি কিন্তু জাহিদ আহমেদ। বুঝলেন! আমি আমার হাতে অন্য ফোল্ডার গুলা খুলে দেখাই ।

পিক গুলা বড় করেন। অন্য আরেক ফোল্ডার দেখাই ।

আরেকটা
  এইটায় পিক সেইম বাট নাম ভিন্ন ভিন্ন।
আর থাকরে বাবা। আমি ক্লান্ত। আর ফোল্ডার খুলা যাবে বাট অনেক লম্বা হয়ে যাবে । তাই এখানেই বিদায়। কমেন্ট করে আমার ট্রিকটা কেমন হল জানাবেন।আরেকটা অনুরোধ আপনারা এই লিঙ্কটা আপনার ফেইসবুক ওয়ালে সেয়ার করেন।
আপনাদের কারো কনো প্রব্লেম হলে আমাকে জানাবেন।
আমি আশা করব আপনি যদি এটা পড়ে থাকেন এবং একটু হলেও উপকারে আসে তাইলে  ফাইসবুকে আমাকে অ্যাড করেন। আমার আইডি Engr SK Shagar & Sagor the last boy । ধন্যবাদ

Facebook আইডি লক হয়ে গেলে বাইপাস করে নিন আপনার ফেসবুক একাউন্ট

অনেক সময় নানা কারনে আমাদের Facebook আইডি লক হয়ে যায়। তখন ফোন নাম্বার দিয়ে ভেরিফাই করে অথবা security question এর উত্তর দিয়ে আবার আইডি ফিরে পাওয়া যায়। কিন্তু এগুলো করে একবার আইডি ফেরত পাবার পর আবার লক হয়ে গেলে তখন Photo Verification করতে হয় যা খুবই বিরক্তিকর।
ফেসবুক আসলে এমনে একটি সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম যাতে আপনি আপনার আশেপাশের পরিবেশের পরিচিত মানুষদের সাথে যোগাযোগ করবেন। কিন্তু অনেকেই ফেসবুকে নতুন মানুষের সাথে পরিচিত হতে চায়। এর জন্য একজনের ফ্রেন্ডলিস্টে অনেক অপরিচিত মানুষ থাকে যাদের ছবি দেখে চেনা যায়না।
আরেকটি বিরক্তিকর ব্যাপার হলো ফটো ট্যাগিং। অনেকেই আজাইরা ছবিতে সবাইকে ট্যাগ করে। এজন্য আপনাকে যখন photo verification করতে দেওয়া হয় তখন আপনি গরু-ছাগলের ছবিতে ট্যাগ করা মানুষ দেখতে পাবেন। গরু-ছাগল দেখে আপনাকে বেছে নিতে হবে এটা কোন বন্ধুর ছবি। লুল
== তাই দয়া করে ”যে ছবিতে আপনার বন্ধুর মুখ নেই এমন ছবি আপনার বন্ধুকে ট্যাগ করবেন না যেমনঃ আপনারা ৫ বন্ধু বেরাতে গিয়ে কোথাও ছবি তুললেন সেই ছবিটি যখন আপনি ফেসবুকে পোস্ট করবেন সেখানে সেই বন্ধুদের ট্যাগ করতে পারেন, অন্যথায় আপনার ট্যাগ করার জন্য আপনার বন্ধু আপনার উপর বিরক্তি হয়ে আপনাকে ব্লক করে দিতে পারে, যেটি আপনার জন্য একটি লজ্জা জনক ব্যাপার।” ==
এবার আসি Photo Verfication যেভাবে বাইপাস করবেন।
১. গুগলে যান।
২. এখন আপনার ফেবুতে ফটো ভেরিফিকেশনের সময় একটি ছবির সাথে ৬টি বন্ধুর নাম থাকবে।
৩. গুগল ইমেজ সার্চে লিখুন facebook+আপনার বন্ধুর নাম। মানে আপনার বন্ধুর নাম Abul Kalam Azad হলে লিখবেন facebook+Abul Kalam Azad
৪. এবার গুগল সার্চে আপনি অনেক ছবি দেখতে পাবেন। যদি কোন ছবি আপনাকে ভেরিফাই করতে দেওয়া ছবির সাথে মিলে যায় তাহলে বুঝবেন সেটা তারই ছবি। আর যদি না মিলে তাহলে বাকি ৫জনের নাম দিয়ে একইভাবে ট্রাই করতে থাকুন।
৫. এরপরেও ছবিগুলো সনাক্ত না করতে পারলে আপনি ২টি প্রশ্ন স্কিপ করতে পারবেন। এছাড়াও সবগুলো প্রশ্নে ১টি উত্তর ভুল হলেও আপনাকে পাশ করিয়ে দেওয়া হবে। প্রশ্নের উত্তর ঠিকভাবে দেবার পর আপনার পাসওয়ার্ড রিসেট করতে বলা হবে। নতুন পাসওয়ার্ড দিয়ে এরপর সহজেই আপনি আপনার একাউন্ট ফিরে পেতে পারবেন।